আদর্শ বাক্যের গুণ কয়টি?
-
ক
চারটি
-
খ
পাঁচটি
-
গ
তিনটি
-
ঘ
ছয়টি
একটি সার্থক বাক্যে নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো থাকা আবশ্যক -
ক) আকাঙ্ক্ষা : বাক্যের অর্থ ভালোভাবে উপলদ্ধি করার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা বা আগ্রহ তা - ই আকাঙ্ক্ষা। যেমন - ‘চাঁদ পৃথিবীর’ এ পর্যন্ত বললে বাক্যটির সম্পূর্ণ অর্থ বুঝা যায় না। এরপরও কিছু শোনার ইচ্ছা অসমাপ্ত থাকে। কিন্তু যদি বলা হয় ‘চাঁদ পৃথিবীর একটি উপগ্রহ’; তাহলে বাক্যটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে এবং এতে জানার আকাঙ্ক্ষার পরিসমাপ্তি ঘটে। অর্থ বা জানার ইচ্ছা পূরণকারী বাক্যের এ গুণকে আকাঙ্ক্ষা বলে।
খ) আসত্তি: বাক্যের অর্থ সহজভাবে উপলব্ধি করার জন্য বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোকে সুবিন্যস্তভাবে সাজাতে হয়। বাক্যের পদগুলোর এই সুবিন্যস্ত রূপকেই আসত্তি বলে। যেমন : ‘সারা দিন আমি যেন ভালোভাবে চলি’ - বাক্যটি আসত্তি গুণাবিশিষ্ট কিন্তু যদি বলা হতো ‘হয়ে সারাদিন ভালো যেন চলি আমি’ তাহলে বাক্যটির অর্থ স্পষ্ট হলেও গঠন কাঠামো সঠিক হয় না। আসত্তি হল বাক্যস্থিত পদসমূহের নৈকট্য বা সুবিন্যস্ত অবস্থা।
গ) যোগ্যতা : বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর অর্থগত এবং ভাবগত মিল বা সামঞ্জস্যকে বাক্যের যোগ্যতা বলে। যেমন - ‘মাঠে পাখিগুলো দলবেঁধে ঘাস খাচ্ছে’ আর ‘আকাশে গরুগুলো ডানা মেলে উড়ছে’ - বাক্যটিতে আকাঙ্ক্ষা এবং আসত্তি গুণ রক্ষিত হলেও এটি সার্থক বাক্য নয়; কেননা এতে ব্যবহৃত পদগুলোর সঙ্গে ভাবের কোনো সাদৃশ্য নেই। কিন্তু যদি বলা হয়, ‘গরুগুলো মাঠে দলবেঁধে ঘাস খাচ্ছে’ আর ‘আকাশে পাখিগুলো ডানা মেলে উড়ছে’ - তাহলে এটি যোগ্যতাসম্পন্ন একটি যথার্থ বাক্য হতো। পদের ভাবগত মিল ছাড়াও শব্দের রীতিসিদ্ধ ব্যবহার, সহজবোধ্যতা, বাগধারা এবং উপমার সঠিক ব্যবহার ইত্যাদির ওপরও বাক্যের যোগ্যতা নির্ভর করে।
Related Question
View All-
ক
আকাঙ্ক্ষা
-
খ
অবসান
-
গ
যোগ্যতা
-
ঘ
আসত্তি
-
ক
বর্গ
-
খ
উদ্দেশ্য
-
গ
বিধেয়
-
ঘ
বাক্যাংশ
-
ক
যোগ্যতা
-
খ
আকাঙ্ক্ষা
-
গ
প্রত্যাশা
-
ঘ
আসক্তি
-
ক
উদ্দেশ্য
-
খ
বিধেয়
-
গ
বাক্যাংশ
-
ঘ
বর্ণ
-
ক
আকাঙ্খা, আসক্তি ও বিধেয়
-
খ
আকাঙ্খা, আসত্তি ও যোগ্যতা
-
গ
যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয়
-
ঘ
কোনটিই নয়
-
ক
৫
-
খ
৪
-
গ
৩
-
ঘ
২
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন